The Lockdown Diary

Day 54
১৮ মে, ২০২০
রাত দুইটায় হঠাৎ আমার পিসি বন্ধ হয়ে গেলো। বুট ডিভাইস
পাচ্ছে না, তার মানে হার্ডডিস্ক পাচ্ছে না। সমস্যা হার্ডডিস্কে না কেবলে সেটাই
বুঝতে পারছি না। বিপদের গন্ধ পাচ্ছি। রাতে আর এটা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে সকালে খুলে
চেক করার সিদ্ধান্ত নিলাম।
সেহেরির পর ঘুমাতে গেলাম তবে মনটা উশখুশ করছে।
এম্নিতেই অনেক টানাপোরেনের মধ্যে দিন যাচ্ছে তার ইপরে এই সময়ে যদি হার্ডডিস্ক নষ্ট
হয় তবে নতুন হার্ডডিস্ক কেনাটা সম্ভব হবে না।
সকালে উঠে তাই ফ্রেশ হয়েই পিসি খুলে চেক করলাম।
কপাল ভালোই বলা যায়। কেবল চেঞ্জ করার পর পিসি চলছে ঠিকঠাক।
এইদিকে সেতুর গলা ফুলে যাচ্ছে কয়েকদিন ধরে।
আজকে ধিমানের সাথে কথা বললাম। নিউজটা বেশি ভালো মনে হচ্ছে না। ও বললো কিছু টেস্ট
করাতে যা এখন করোনার কারনে করা সম্ভব হবে না। কিন্তু যত দেড়ি করা হবে ততই বিপদ।
দেখা যাক কি হয়।
করোনা আজকে আগের সবকয়টি রেকর্ড ভেঙ্গে চুরে
একাকার করে দিয়েছে। আজকে শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৬০২ জন রোগী আর মারা গেছে ২১ জন। এই
নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার ৮৭০ জন।
আজকের সন্ধ্যাটা এই করোনাকালে আমার সবচেয়ে
প্রিয় সন্ধ্যা। টানা ৬০ দিন পর আজকে রুম্পার সাথে দেখা হলো। অনেকটা লুকিয়েই ওর
সাথে দেখা করে এলাম। ছেরে আসতে ইচ্ছে করছিলো না তবে কিছুই করার ছিলোনা। আবার কতদিন
পর দেখা করতে পারব সেটাও জানি না.১০ মিনিতের ছোট্ট দেখাটুকু দুই মাসের সব ক্লান্তি
আর জড়তা কাটিয়ে দিলো মনে হচ্ছে।
রাতে আরেকটা খারাপ খবরের আশংকা সত্যি হলো। গভীর
সাগরে সৃষ্টি হওয়া নিন্মচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে আর দ্রুত এটি উপকূলের দিকে ছুটে
আসছে। মনে হচ্ছে সৃষ্টিকর্তা তার সবটুকু ক্ষোভ ঝাড়ছেন আমাদের উপর। একটার পর একটা
বিপদ যে কবে শেষ হবে কেউ জানে না।
আগের পর্বের লিংকঃ https://baundulerdiary.blogspot.com/2020/05/the-lockdown-diary-53.html
No comments:
Post a Comment