Sunday, April 19, 2020

চলে গেলেন ‘পপাই দ্য সেইলর ম্যান’ ও ‘টম অ্যান্ড জেরি’র পরিচালক

Image may contain: one or more people


জিন ডেইচ। নামে হয়তো উনাকে অনেকেই চিনবে না তবে উনার কর্মকে জানে না এমন মানুষ কমই পাওয়া যাবে। বিশেষ করে ৯০ এর দশকে জন্ম নেয়া মানুষদের কাছে উনার হাতের ছোঁয়ায় জীবন পাওয়া "টম এন্ড জেরি" ও "পপাই দ্যা সেইলর ম্যান" ছিলো সপ্নের মত চরিত্র।

"টম এন্ড জেরির" আটজন পরিচালকের মধ্যে সাতজন আগেই মারা গেছেন। শেষ জীবিত ছিলেন জিন। তার মৃত্যুর মধ্য দিয়েই শেষ হলো টম এন্ড জেরির কখনো না থামা লড়াইয়ের। ১৯৬১-৬২ মৌসুমে জিন যুক্ত ছিলেন টম এন্ড জেরির প্রডাকশনে। 
কর্মজীবনের প্রথম ভাগে জিন নর্থ আমেরিকান এভিয়েশনে নকশাকার হিসেবে কাজ করতেন।

পাইলট হিসেবেও ট্রেনিংপ্রাপ্ত ছিলেন তিনি। মেডিক্যাল পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে ১৯৪৪ সালে এ কাজে তাকে ইস্তফা দিতে হয়। এরপর তিনি যুক্ত হয়ে যান শিল্প দুনিয়ায়।

‘‘সিডনি’স ফ্যামিলি ট্রি’’ চলচ্চিত্রের জন্য ১৯৫৮ সালে অস্কারের জন্য মনোনীত হন।

১৯৬০ সালে জিনের সিনেমা ‘মানরো’ সেরা অ্যানিমেটেড শর্ট ফিল্ম ক্যাটাগরিতে অস্কার জিতে নেয়। ১৯৬৪ সালে একই ক্যাটাগরিতে ‘নাডনিক’ ও ‘হাউ টু অ্যাভয়েড ফ্রেন্ডশিপ’ ছবির জন্য অস্কারে মনোনয়ন পেয়েছিলেন তিনি।

জিন ডেইচ

কর্মজীবনে এই অ্যানিমেটর টেরিটুনস, আন্ডার ২০ সেঞ্চুরি ফক্সের শিল্প নির্দেশক হিসেবে কাজ করেছেন। এ সময়টাতে তিনি তৈরি করেন সিডনি এলিফ্যান্ট, গ্যাস্টন লে ক্রাইওন, ক্লিন্ট ক্লোবার এবং টেরেবল থম্পসনের মতো চরিত্র।
গত ১৬ এপ্রিল ৯৫ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন এই গুণী পরিচালক। 
ধন্যবাদ জিন ডেইচ। আমাদের শৈশবকে রঙ্গিন করে তোলার জন্য।  







No comments:

Post a Comment

একজন হুমায়ূন-চলচ্চিত্র যার প্রাণ

একজন হুমায়ূন-চলচ্চিত্র যার প্রাণ  শিল্পীর তুলিতে হুমায়ূন ফরিদী সেই ১৯৫২ সালের কথা। ২৯ মে এটিএম নূরুল ইসলাম ও বেগম ফর...